Andhokarer Gaan | অন্ধকারের গান PDF - হুমায়ূন আহমেদ

Andhokarer Gaan | অন্ধকারের গান PDF – হুমায়ূন আহমেদ

Andhokarer Gaan PDF বাংলা বই। অন্ধকারের গান PDF হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি বাংলা উপন্যাস বই। এটি হুমায়ূন আহমেদ লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস বই এবং বইটিতে মোট ৯৬ পাতা রয়েছে। মিজান সাহেব একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে চাকরী করেন। তার বড় ছেলে বুলু তৃতীয় বারের মত বি.এ. পরীক্ষায় ফেল করে বাসা ছেড়ে পালিয়েছে। ওদিকে মেঝো মেয়ে বীণা পরীক্ষায় অসম্ভব ভালো ফলাফল করেছে। মিজান সাহেব তার সেঝো মেয়ে লীনা আর ছোট ছেলে বাবলুকে নিয়ে প্রায়ই পড়া দেখাতে বসেন। ভুলভ্রান্তি হলে দরজা আটকে বেদম প্রহার করেন। মিজান সাহেবের স্ত্রী ফরিদা তার স্বামীকে ভয় পান। এই ভয়ের কারণেই তিনি বাচ্চাদের মারধোর করার সময় বাধা দিতে পারেন না। মিজান সাহেবের বৃদ্ধা মা মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ্য নন। তিনি সারাদিন প্রায় সবাইকেই গালাগাল করে। এই পরিবারটার টানাপোড়েনের মাঝেই এগিয়ে যায় বইয়ের কাহিনী। অন্ধকারের গান বইটির PDF আমরা সংগ্রহ করেছি যার সাইজ মাত্র ০৪ এমবি। বইটি অনন্যা প্রকাশনী প্রথম ১৯৯০ সালে প্রকাশ করে। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা বইটির পিডিএফ ফাইল লিংক নিচে শেয়ার করলাম যা থেকে আপনারা বইটি পড়তে এবং ডাউনলোড করতে পারবেন।

ডাউনলোড  /  অনলাইনে পড়ুন

হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম যাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলেও গণ্য করা হয়। হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহুকুমার মোহনগঞ্জে তার মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে, ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের এই সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার সৃষ্ট হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। ২০১১-এর সেপ্টেম্বের মাসে সিঙ্গাপুরে ডাক্তারী চিকিৎসার সময় তার দেহে মলাশয়ের ক্যান্সার ধরা পড়ে। মলাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। কৃত্রিমভাবে লাইভ সাপোর্টে রাখার পর ১৯শে জুলাই ২০১২ তারিখে তিনি নিউ ইয়র্কের বেলেভ্যু হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

You May Also Like

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।