Hotel Graver Inn | হোটেল গ্রেভার ইন PDF - হুমায়ূন আহমেদ

Hotel Graver Inn | হোটেল গ্রেভার ইন PDF – হুমায়ূন আহমেদ

Hotel Graver Inn PDF বাংলা বই। হোটেল গ্রেভার ইন PDF হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি বাংলা আত্মজীবনী বই। এটি হুমায়ূন আহমেদ লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস বই এবং বইটিতে মোট ৮০ পাতা রয়েছে। হুমায়ূন আহমেদ তার এই গল্পের সূচিতে বলেন, হোটেল গ্রেভার ইন-এর প্রথম সংস্করণে কোন ভূমিকা ছিল না। ভেবেছিলাম, ভূমিকার প্রয়োজন নেই-পাঠক বুঝতে পারবেন যে হোটেল গ্রেভার ইন-এর গল্পগুলি আসলে বানানো গল্প নয়-স্মৃতিকথা। আমার মনে হয় সবাই তা বুঝতে পেরেছেন, তবু কেন জানি অসংখ্যবার আমাকে বলতে হয়েছে-না, এগুলি বানানো গল্প নয়। এবার ভূমিকাতেই লিখে দিলাম। আমার তু্চ্ছ স্মৃতিকথা যে পাঠকদের এত ভাল লাগবে তা আগে বুঝতে পারি নি। আমার ভাঙা ঘরে চাঁদের আলো-এ আলো আমি কোথায় রাখব? হোটেল গ্রেভার ইন বইটির PDF আমরা সংগ্রহ করেছি যার সাইজ মাত্র ০৪ এমবি। বইটি কাকলী প্রকাশনী প্রথম ২০০৬ সালে প্রকাশ করে। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা বইটির পিডিএফ ফাইল লিংক নিচে শেয়ার করলাম যা থেকে আপনারা বইটি পড়তে এবং ডাউনলোড করতে পারবেন।

ডাউনলোড  /  অনলাইনে পড়ুন

গল্পটা হোটেলের নামে, অথচ এর সাথে কত মায়া আর কত অনুপ্রেরণা জড়িত। এই যে হুমায়ূন আহমেদ পরীক্ষার খাতায় নিজেকে দেশের একজন মনে করলেন ওখানেই তার উপর শক্তি ভর করে ফেলেছে। ১০০ নাম্বার দেখতে কত সহজ, আর সহজই শক্তিশালী। লেখকের সাথের আর বাঙালি শিক্ষার্থীদের বাঙালি সংস্কৃতি তুলে ধরার যে প্রয়াস তার উপরও দেশের শক্তি ভর করেছে। জেদের যে কী অসাধারণ একটা সৌন্দর্য আছে সেটা বেরিয়ে আসে জেদ জিতে গেলে। হেরে গেলেও হয়ত তার সৌন্দর্য থাকে, কিন্তু সে অগোচর আরেক জয়ের জন্য।
আচ্ছা, দেশের বাইরে গেলে বুঝি দেশের টান চোখে পড়ে খুব করে? কে আছে ভুল প্রমাণ করবে?
দিনগুলো কি রঙিন? আমি তো রঙিনই বলব। বরং রঙ আরো নেয়া যেত, তিনি কিছুটা ছাড় দিয়েছেন।
কষ্টের গল্পগুলোয়ও তো রঙ থাকে। উল্লাসের গল্প তো রঙই!
আমি জানি, হোটেল গ্রেভার ইনের গল্প পৃথিবীর আরেক পৃষ্ঠায় থাকা তরুণদের জন্য রঙ বুনে দেয়। আমি চিনি তো কয়েকজনকে।
আর আমেরিকান!
তোমরা হয়ত আরো বহুদিন আমাদের গল্পগুলোয় ঘোরাঘুরি করবে। তোমরা গল্পের বিশ্বে মিশে গেছে যেন। আমাদের মত ছোট (আকার ও ক্ষমতায়) দেশগুলো আমেরিকাকে কল্পনা করে যাবে গ্রেভার ইনের দুয়ার দিয়ে সে বড় ভাল দিক। এর মধ্য দিয়ে যদি বিশ্বায়নে কিছুটা চেতে উঠা যায় তাই তো চাই।
আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আমেরিকায় থাকা সব বাংলাদেশি একাডেমিয়ানরা যদি ১ বছরের জন্য দেশে চলে আসত বাংলাদেশটা কি এতটুকুই থাকত? বড় হয়ে যেত না?

You May Also Like

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।