Ke Kotha Koy | কে কথা কয় PDF - হুমায়ূন আহমেদ

Ke Kotha Koy | কে কথা কয় PDF – হুমায়ূন আহমেদ

Ke Kotha Koy PDF বাংলা বই। কে কথা কয় PDF হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি বাংলা উপন্যাস বই। এটি হুমায়ূন আহমেদ লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস বই এবং বইটিতে মোট ২৯৬ পাতা রয়েছে। কমল এবং মতিন, এই উপন্যাসের প্রধান ২ চরিত্র । পঞ্চাশোর্ধ ব্যারিস্টার সালেহ ইমরান সাহেব এবং তাঁর অর্ধেক বয়সী স্ত্রী মুনার (বয়স ২৩-২৪) একমাত্র সন্তান কমল। কমলের বয়স ১০ বছরের বেশি হতে পারে। সে অন্য সব স্বাভাবিক শিশুদের মতো নয়। সে একজন অটিস্টিক চাইল্ড। সে তার নিজের জগত নিয়ে থাকে। সবকিছুকে সে উল্টো করে ভাবে, উল্টো করে কথা বলে। অসম্ভব রকমের বুদ্ধিমান এই শিশু যে কোন সূক্ষ্মবিষয়ও চট করে ধরে ফেলতে পারে। ম্যাথমেটিক্স, তার সবচেয়ে পছন্দের সাবজেক্ট। সব ধরণের লজিক সে ম্যাথ দিয়ে চিন্তা করে। সে দেখতেও অন্য সব শিশুদের চেয়ে অনেক বেশি সুন্দর, অনেকটা দেবশিশুদের মতো। সেই অসম্ভব বুদ্ধিমান শিশুটি একদিন নিজের জীবনের একটা সিক্রেট জেনে যায়। আসলে গল্পটি না পড়লে বুঝতে পারবে না। অসাধারণ একটি উপন্যাস আমাদের উপহার দিয়েছেন হুমায়ূন আহমেদ স্যার। কে কথা কয় বইটির PDF আমরা সংগ্রহ করেছি যার সাইজ মাত্র ২০ এমবি। বইটি অন্যপ্রকাশ  প্রথম ২০০৬ সালে প্রকাশ করে। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা বইটির পিডিএফ ফাইল লিংক নিচে শেয়ার করলাম যা থেকে আপনারা বইটি পড়তে এবং ডাউনলোড করতে পারবেন।

ডাউনলোড  /  অনলাইনে পড়ুন

হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম যাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলেও গণ্য করা হয়। হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহুকুমার মোহনগঞ্জে তার মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে, ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের এই সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার সৃষ্ট হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। ২০১১-এর সেপ্টেম্বের মাসে সিঙ্গাপুরে ডাক্তারী চিকিৎসার সময় তার দেহে মলাশয়ের ক্যান্সার ধরা পড়ে। মলাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। কৃত্রিমভাবে লাইভ সাপোর্টে রাখার পর ১৯শে জুলাই ২০১২ তারিখে তিনি নিউ ইয়র্কের বেলেভ্যু হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

You May Also Like

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।