Onish। অনীশ PDF - হুমায়ূন আহমেদ

Onish। অনীশ PDF – হুমায়ূন আহমেদ

Onish PDF বাংলা বই। অনীশ PDF হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি বাংলা উপন্যাস বই। এটি হুমায়ূন আহমেদ লেখা মিসির আলি সিরিজের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস এবং বইটিতে মোট ৬০ পাতা রয়েছে। বর্তমান সময়ের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী রুপা। পরপর কয়েকটি ছবি সুপার হিট করার পর এসেছে হাসপাতালে। আর হাসপাতলে এসেই পরিচয় মিসির আলীর সঙ্গে। মিসির আলীও সমস্যার কারনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রূপা এবং মিসির আলিকে নিয়ে আরও একটি অসাধারণ গল্প উপহার দিয়েছেন হুমায়ূন আহমেদ স্যার। অনীশ বইটির PDF আমরা সংগ্রহ করেছি যার সাইজ মাত্র ০৪ এমবি। বইটি অনুপম প্রকাশনী প্রথম ১৯৯২ সালে প্রকাশ করে। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা বইটির পিডিএফ ফাইল লিংক নিচে শেয়ার করলাম যা থেকে আপনারা বইটি পড়তে এবং ডাউনলোড করতে পারবেন।

ডাউনলোড  /  অনলাইনে পড়ুন

ভূমিকা
‘অনীশ’ প্রথম ছাপা হয়েছিল ঈদসংখ্যা বিচিত্রায় (১৯৯২)। গ্রন্থাকারে প্রকাশের সময় কিছু পরিবর্তন করেছি। অনীশের নায়িকা রূপা’র স্বামী সম্পর্কে মিসির আলির ধারণার কথা মূল বই- এ বলা হয়েছে, যা আগে বলিনি। মিসির আলির যুক্তিনির্ভর এই ধারণা হয়তো অনেকের কাছেই গ্রহণযোগ্য মনে হবে না। আমার কথা হচ্ছে ‘যুক্তি’ গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে মাথা ঘামায় না, সে চলে তার সরল পথে। জালালুদ্দিন রুমির চার লাইনের একটি কবিতা ব্যবহার করেছি। মূল বইয়ের সঙ্গে এই কবিতার তেমন সম্পর্ক নেই। জালালুদ্দিন রুমির এই স্তবকটি আমার অত্যন্ত প্রিয়। পাঠক-পাঠিকাদের কাছে প্রিয় স্তবকটি উহার দেবার লোভ সামলানো গেল না।

হুমায়ূন আহমেদ
শহীদুল্লাহ হল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম যাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলেও গণ্য করা হয়। হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহুকুমার মোহনগঞ্জে তার মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে, ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের এই সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার সৃষ্ট হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। ২০১১-এর সেপ্টেম্বের মাসে সিঙ্গাপুরে ডাক্তারী চিকিৎসার সময় তার দেহে মলাশয়ের ক্যান্সার ধরা পড়ে। মলাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। কৃত্রিমভাবে লাইভ সাপোর্টে রাখার পর ১৯শে জুলাই ২০১২ তারিখে তিনি নিউ ইয়র্কের বেলেভ্যু হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

You May Also Like

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।