Parapar | পারাপার PDF - হুমায়ূন আহমেদ

Parapar | পারাপার PDF – হুমায়ূন আহমেদ

Parapar PDF বাংলা বই। পারাপার PDF হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি বাংলা উপন্যাস বই। এটি হুমায়ূন আহমেদ লেখা হিমু সিরিজের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস এবং বইটিতে মোট ১০০ পাতা রয়েছে। হিমু হুমায়ূন আহমদের সৃষ্ট অনেক জনপ্রিয় একটি কাল্পনিক চরিত্রের নাম। পারাপার শুরু হয়েছে ঘুঘুর ডাক কেন্দ্র করে। মাইক্রোবাসের পর্দা সরিয়ে একটা পান খাওয়া মুখের ভদ্র মহিলা হিমুকে প্রশ্ন করলো, এই তুই হিমু না? হিমু কিন্তু তাকে চিনতে পারে নি, তাই চুপ করে রইলো। তিনি জোর করে হিমু কে রিকশা থেকে নামিয়ে নিয়ে গেলেন, তার মাইক্রোবাসে । ভদ্র মহিলার সাথে এক মেয়ে তার নাম খুকি।হিমুর মনে হলো এই মেয়ে মানুষ না, এ হলো হুর। অনেক ক্ষন চলে গেলেও, হিমু এই মহিলা কে চিনতে পারলো না। মাঝ পথে হিমু নেমে গেল। যদিও মহিলা অনুনয় করছিল। তবুও হিমু তো সব উপেক্ষা করে চলে আসতে পারে। হিমু সিরিজের অন্যসব গল্পের মত এটিও আমার অনেক ভাল লেগছে। পারাপার বইটির PDF আমরা সংগ্রহ করেছি যার সাইজ মাত্র ১০ এমবি। বইটি অন্যপ্রকাশ প্রথম ২০০৬ সালে প্রকাশ করে। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা বইটির পিডিএফ ফাইল লিংক নিচে শেয়ার করলাম যা থেকে আপনারা বইটি পড়তে এবং ডাউনলোড করতে পারবেন।

ডাউনলোড  /  অনলাইনে পড়ুন

হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম যাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলেও গণ্য করা হয়। হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহুকুমার মোহনগঞ্জে তার মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে, ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের এই সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার সৃষ্ট হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। ২০১১-এর সেপ্টেম্বের মাসে সিঙ্গাপুরে ডাক্তারী চিকিৎসার সময় তার দেহে মলাশয়ের ক্যান্সার ধরা পড়ে। মলাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। কৃত্রিমভাবে লাইভ সাপোর্টে রাখার পর ১৯শে জুলাই ২০১২ তারিখে তিনি নিউ ইয়র্কের বেলেভ্যু হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।