Tondra Bilash | তন্দ্রাবিলাস PDF - হুমায়ূন আহমেদ

Tondra Bilash | তন্দ্রাবিলাস PDF – হুমায়ূন আহমেদ

Tondra Bilash PDF বাংলা বই। তন্দ্রাবিলাস PDF হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি বাংলা উপন্যাস বই। এটি হুমায়ূন আহমেদ লেখা মিসির আলি সিরিজের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস এবং বইটিতে মোট ৯৬ পাতা রয়েছে। এই বইয়ের কাহিনী গড়ে উঠেছে নিশি নামের একটি মেয়েকে ঘিরে। যার আরও নাম আছে চিত্রা,ফারজানা। বেশ নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে তার সাথে মিসির আলির সাক্ষাত। ব্যাগ আর টাকা পয়সা নিয়ে মিসির আলির বাড়িতে থাকতে আসে যার পুরোটাই নাটকমাত্র। শুধু মাত্র নিজের জীবন কাহিনী চিঠি হিসেবে লিখে মিসির আলির কাছে পৌছানোর জন্য এত নাটক। তন্দ্রাবিলাস  বইটির PDF আমরা সংগ্রহ করেছি যার সাইজ মাত্র ০৬ এমবি। বইটি অন্বেষা প্রকাশন প্রথম ২০০৯ সালে প্রকাশ করে। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা বইটির পিডিএফ ফাইল লিংক নিচে শেয়ার করলাম যা থেকে আপনারা বইটি পড়তে এবং ডাউনলোড করতে পারবেন।

ডাউনলোড  /  অনলাইনে পড়ুন

ফ্ল্যাপে লিখা কথাঃ 
মিসির আলি তার খাতা বের করলেন। কেইজ নাম্বার দিয়ে ফারজানার নামে একটি ফাইল খোলা যেতে পারে। খাতার পাতায় ফারজানার নাম লিখতে গিয়ে মিসির আলি ইতস্তত করতে লাগবেন। ফাইল খোলার দরকার আছে কি?

হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম যাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলেও গণ্য করা হয়। হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহুকুমার মোহনগঞ্জে তার মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে, ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। সত্তর দশকের এই সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তার গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তার সৃষ্ট হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। ২০১১-এর সেপ্টেম্বের মাসে সিঙ্গাপুরে ডাক্তারী চিকিৎসার সময় তার দেহে মলাশয়ের ক্যান্সার ধরা পড়ে। মলাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। কৃত্রিমভাবে লাইভ সাপোর্টে রাখার পর ১৯শে জুলাই ২০১২ তারিখে তিনি নিউ ইয়র্কের বেলেভ্যু হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

You May Also Like

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।